এসইও কি অন-পেজ এসইও step-by-step

অন-পেজ এসইও কি   ( On-Page SEO )

অনপেজ এসইও কি বলতে আমরা বুঝি যেটা google-এ রেংকিং করানোর জন্য আমরা ওয়েবসাইট এর ভিতরে যে এসইওর কাজগুলো করে থাকি সেটাই হচ্ছে অনপেজ এসইও আজকে আমরা অনপেজ এসইও কি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব step-by-step

শিরোনাম  ( Title )

একটা আর্টিকেল রেংকিং করানের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে শিরোনাম শিরোনামটি সুন্দর করে লিখতে হবে ছোট আকারে এবং প্রতিটা শিরোনামে কীওয়ার্ডস রাখতে হবে তাহলে গুগলে খুব দ্রুত রেংক করবে আপনার আর্টিকেল এর শিরোনামটি যদি সুন্দর গোছানো এবং এসইও ফ্রেন্ডলি না হয় তাহলে গুগলে কখনোই রেংকে আসবে না।

বর্ণনা  ( Description )

একটা আর্টিকেল লেখার জন্য বর্ণনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় আপনি যেকোনো পণ্যের প্রডাক্ট রিভিউ লেখেন বা নন রিভিউ লেখেন তার বর্ণনাটি হতে হবে খুবই সুন্দর এবং পরিষ্কারভাবে একটি কথার মাধ্যমে অনেক কিছু বুঝিয়ে দেওয়ার মাধ্যম বর্ণনার ইন্ট্রুডার এরকম হতে হবে।

বর্ণনা এ কারণেই এত গুরুত্ব বহন করে কারণ একজন ভিজিটর এসে সর্বপ্রথম বর্ণনাটি পড়ে থাকেন বর্ণনাটি পড়ার পরে তার যদি ভালো লাগে তাহলে সে পুরো লেখাটি কন্টিনিউ করে। তাই আপনাকে বর্ণনার দিকে খুবই গুরুত্ব দিতে হবে এবং বর্ণনার ভিতরে এরকম কিছু রাখতে হবে যা পুরো আর্টিকেলটি পড়বে কি কি সেখানে পাবে তা এখানে তুলে ধরতে হবে। তাহলে একজন ভিজিটর পুরো লেখাটি কন্টিনিউ করবে
এই বর্ণনা টি আপনাকে এসইও কি ফ্রেন্ডলি করতে হলে একটা কীওয়ার্ডস রাখতে হবে এবং কল টু অ্যাকশন জুড়ে দিতে হবে তাহলে এই লেখা টি ভিজিটর পড়াশুরু করবে।

বিষয়বস্তু।  ( Content )

বিষয়বস্তু এসইও কি ? বিষয়বস্তু একটা আর্টিকেল এর সৌন্দর্য এবং ইনফরমেশন তুলে ধরে বিষয়বস্তুর মাধ্যমে আপনি আপনার প্রোডাক্ট রিভিউ সম্পর্কে লেখবেন। এটা বিস্তারিত এখানে তুলে ধরতে হয় এটার ভাল মন্দ দিকগুলো এখানে তুলে ধরতে হয় বিষয়বস্তুর এরকম ভাবে লিখতে হবে যায় স্পষ্ট ভাষায় প্রকাশ করতে হবে এবং সুন্দরভাবে সারিবদ্ধ যাতে একজন গ্রাহকের পড়তে না অসুবিধা হয়। এবং সিম্পল ভাবে সারিবদ্ধ ভাবে সাজিয়ে তুলতে হয় যাতে একটা সৌন্দর্য প্রকাশ পায়।

বিষয়বস্তুর ল্যান্ড প্রতিটা প্রডাক এর উপর নির্ভর করে 400 থেকে 500 ভিতরে হলে সবচেয়ে ভালো হয়।
গুগোল 600 ওয়ার্ড কাউন্ট করে এর নিচে করে না তাই সব সময় মনে রাখবেন 600 উপরে যে কোন একটা আর্টিকেল লেখার চেষ্টা করবেন। আর আর্টিকেল রেংক করার জন্য আপনাকে দুই হাজারের ওপরে আর্টিকেল লিখতে হবে তাহলে আপনার আর্টিকেল গুগলের রেখে চলে আসবে। আর সবচেয়ে ভালো হয় আপনি যদি সাড়ে তিন হাজার চার হাজারের লং আর্টিকেল লিখেন তাহলে আপনার আর্টিকেল রেংকিং এ আসবে সহজেই।

আর্টিকেল র্যাংকিংয়ে আনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল এর পাশাপাশি আপনার আর্টিকেল এর ল্যান্থ বাড়াতে হবে এটা যদি আপনার 3000, 4000, 5000 ওয়ার্ডে করতে পারেন তাহলে আপনার আর্টিকেলটি অনায়াসে র্যাঙ্কিংয়ে চলে আসবে এতে করে আপনি ভিজিটর অনেক পরিমাণে পাবেন আপনার আর্টিকেল গুগলের থাকবে এবং আপনার যে সাফল্য সেটা আপনি পেয়ে যাবেন।

একটা ওয়েবসাইটের প্রাণ বলা হয় আর্টিকেলকে তাই আপনার আর্টিকেল এর উপরে ফোকাস রাখতে হবে খুব সুন্দর ভাবে এবং আর্টিকেল গুছিয়ে গাছিয়ে প্রতিনিয়ত লিখতে হবে প্রতিমাসে 10 টি করে আর্টিকেল যদি পাবলিশ করতে পারেন তাহলে আপনার রেংক ইউজ পরিমাণে বেড়ে দাঁড়াবে।

তবে কোন মাসে যাতে আর্টিকেল পাবলিশ মিস না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন প্রতিমাসেই আপনার চারটি আর্টিকেল সর্বনিম্ন দিতে হয়। যদি না দেন তাহলে গুগল এটাকে আপডেট মনে করবেনা তাই আপনার রেংকিং আসতে কষ্ট হবে তাই প্রতি সপ্তাহে একটি করে প্রতিমাসে চারটি আর্টিকেল না হলেও দিবেন আর যদি বেশি পারেন তাহলে আপনার জন্য ভালো।

পাতা।  ( Page )

পাতা বলতে আমরা বুঝি বিভিন্ন পেজ আপনার একটি ওয়েবসাইটকে সৌন্দর্য প্রকাশ করে পেজ এর মাধ্যমে একজন ভিজিটর সর্বপ্রথম এসে তার কাঙ্ক্ষিত রেজাল্টটি খোঁজে ওয়েবসাইট এর পেজ এর ভিতরে পেজগুলোকে ফলো করে তার কাছে যদি কোন পেজ সুন্দর মনে হয়, ভাল মনে হয় পড়ে ওই পেজ থেকে কিছু পাবে আশা করে। তাহলে ওই পেজে গিয়ে সে লেখাটি পড়ে তাই কন্টেন্ট টা আপনি যদি ভালো করতে পারেন তাহলে আপনি ভিজিটরকে অনেকক্ষণ রাখতে পারবেন এবং নেক্সট সময় আপনার এই ওয়েবসাইটে ভিজিটর আসার চান্স বেড়ে যায়।

URL 

ইউআরএল এসইও কি ? ইউআরএল  প্রতিটা কন্টেনের পরিস্থিতি প্রকাশ করে তাই ইউআরএল এটা স্মার্টলি এবং কিওয়ার্ড ফ্রেন্ডলি করতে হয় কারন গুগল সর্বপ্রথম যখন সার্চ করে তখন ওই ইউ আর এল গুলাকে চেক করে এবং কিওয়ার্ড ফ্রেন্ডলি যদি আপনার আর্টিকেলটি হয়ে থাকে এবং ওই ইউ আর এল যদি কিওয়ার্ড থাকে তাহলে গুগল খুব দ্রুত আপনার আর্টিকেলটি খুঁজে পায়। এবং দ্রুত কল করতে পারে তাই সব সময় আপনার আর্টিকেলের ইউআরএল এর উপর ফোকাস দিবেন ইউআরএল টা যাতে ছোট হয় এবং খুব সুন্দর গোছানো হয় এটা সবসময় মনে রাখবেন।

H1, H2, H3 ট্যাগ।

H1, H2, H3 ট্যাগ এসইও কি ? H1, H2, H3 ট্যাগ এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এগুলো গুগোল কাউন্ট করে ট্যাগ উপরে যদি আপনি কি ওয়ার্ড বসিয়ে দেন তাহলে আপনার আর্টিকেলটি ব্যাংকে চলে যাওয়ার জন্য একটি দারুন আইডিয়া তাই প্রতিটা H1, H2, H3 ট্যাগ গুলো সুন্দর ভাবে দিবেন এটা যাতে মিস না হয়।

 

মেটা ট্যাগ  ( Meta tags )

মেটা ট্যাগ এসইও কি ? মেটা ট্যাগ একটা আপনার একটি ওয়েবসাইটের সৌন্দর্য প্রকাশ করে কারণ একজন ভিজিটর সর্ব প্রথমে এসেই কিন্তু একটা আর্টিকেল টাইটেল এবং মেটা ট্যাগ খুঁজে পায়। তাই যখন সার্চ করে তখন সে টাইটেল এবং মেটা ট্যাগ দেখতে পায় যদি মেটা ট্যাগ এর ভিতরে ঐ রকম ইনফরমেশন না থাকে তাহলে কিন্তু আপনার সাইটটি ক্লিক করবেন না এবং আপনার সাইটে কোন গ্রাহক বা ভিজিটর আসবে না তাই সবসময় খেয়াল রাখবেন এত সুন্দর ভাবে এত গোছানোভাবে লিখতে যাতে একজন ভিজিটরের চোখে পড়ে এবং ভিজিটর আপনার সাইটে ক্লিক করতে চায় তাই কল টু অ্যাকশন এর জুড়ি নেই এটা আপনি যুরে দিবেন প্রতিটা মেটা ট্যাগ যাতে ক্লিক করে এবং সে কি পাবে বুজতে পারে।

ছবি  ( Images )

ইমেজ এসইও কি ? ইমেজ এমন একটা গুরুত্ব বহন করে আপনার আর্টিকেলটি পরবে কি পরবে না তা একটা ইমেজ এর উপরই নির্ভর করে ইমেজটা যদি সুন্দর না হয় চাকচিক না হয় তাহলে কোন ভিজিটর আপনার আর্টিকেল এ ক্লিক করবে না এবং আপনার লেখাটি পড়তে চাবে না। তাই ইমেজের দিকে সবসময় খেয়াল রাখতে হবে ইমেজটা সবসময় চাকচিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে হবে এবং ইমেজের লোডিং টাইম টা যাতে কমে ইমেজের স্পিরিট বাড়ে সেজন্য আপনাকে ইমেজটা অপটিমাইজ করতে হবে।

এসইও ফ্রেন্ডলি এটা করার জন্য আমি নিচে লিংক দিয়ে দিব ওই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অপটিমাইজ করতে পারবেন ইমেজটি। অপটিমাইজ করার পরে আপনার ওয়েবসাইটে ইমেজ আপলোড করবেন।

ইমেজ আপনি কয়টা দিবেন সেটা হলেও আপনার আর্টিকেল এর ওয়ার্ড এর উপর নির্ভর করে আপনি যদি বেশি ওয়ার্ড হয় সে ক্ষেত্রে আপনি দশটা ইমেজ দিতে পারেন আর যদি আপনার আর্টিকেল হয় কম ওয়ার্ড এর তাহলে চারটা ইমেজ দিতে পারেন আপনি ইমেজ আরটিকেল এর ওয়ার্ড এর উপর নির্দিষ্ট করে দিয়ে দিবেন।

পারমালিঙ্কস  ( Permalinks )

পারমালিঙ্কস আপনার এই আর্টিকেলটি সাথে অন্য একটি আর্টিকেল যাতে মিল থাকে এবং ইনফরমেশন না থাকে একজন ভিজিটর চলে যেতে পারে সে জন্য পার্মালিনক এর ব্যবস্থা করতে হবে। আপনার এখানে দেখা যায় সব ইনফরমেশন থাকবে না তাই অন্যখানে রেফার করতে হবে আর অন্যখানে রেফার করার লিংক পার্মালিনক বলা হয়।

মেটা ট্যাগে বসানো  ( Placement in meta tag )

শিরোনামের দৈর্ঘ্য/ পোস্টের শিরোনামের প্রস্থ

সবসময় মনে রাখবেন শিরোনামের দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থ যাতে অনেক বড় না হয় আবার অনেক ছোট না হয় মোটামুটি মিডিয়াম আকারে রাখবেন যাতে কিছু অর্থ বহন করে এবং এসই ফ্রেন্ডলি হয় এদিকে ফোকাস রাখতে হবে অনেক কিছু মানতে হবে তাহলে আপনার আর্টিকেলটি গুগোল খুব সহজে স্কোর করতে পারবে।

বর্ণনায় কীওয়ার্ড স্টাফিং  ( Title Length/ post title length )

বন্যার কিওয়ার্ড স্টাফিং হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষ কি লিখে সার্চ করে এবং মানুষ কি চায় এটা কীওয়ার্ড স্টাফিং বলে। আপনি গুগলে মানুষ প্রতিনিয়ত ও কি কি লিখেছে সার্চ করে মানুষের কি কি চাহিদা আছে তার ওপর কিওয়ার্ড বিশেষ করে আপনাকে আর্টিকেল লিখতে হয়। এবং আর্টিকেল এর বিভিন্ন জায়গায় কিওয়ার্ডগুলো প্রতিস্থাপন করতে হয় কারণ আর্টিকেল এর উপর যদি আপনি কি ওয়ার্ড গুলোর না দেন তাহলে গুগল ধরতে পারবেনা আপনার আর্টিকেলটি মানুষের কাছে পৌছে দিতে পারবে না তাই কিওয়ার্ড কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ এই কী-ওয়ার্ড টাই সর্বপ্রথম আপনাকে রিচার্জ করতে হবে এবং সেই কিওয়ার্ড রিসার্চ করার মাধ্যমে আপনাকে আর্টিকেল রাইট করতে হবে কিওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে দশটি টুল আপনারা দেখতে পারেন

১/ Google Keyword Planner
২/ moz.com
৩/ ahrefs.com
৪/ SEMrush
৫/ KWFinder
৬/ GrowthBar
৭/ Long Tail Pro
৮/ Majestic
৯/ Keyword Tool
১০/ Ahrefs Keyword Explorer

 

তাই আপনারা একটি আর্টিকেল লেখার উপর কিওয়ার্ডের গুরুত্ব দিবেন এবং কিওয়ার্ড যাতে অতিরিক্ত না হয় আবার অনেক কম না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন। প্রতি 1,000 ওয়ার্ডের জন্য পাঁচবার কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারবেন এবং কোথায় কোথায় ব্যবহার করবে সেটা তো আমরা এই এসইওতে বলে দিয়েছি তাই এটা পুরোপুরি পড়লেই বুঝতে পারবেন। এবং কিওয়ার্ড ওয়ার্ড ডেস্টিনি কিছু ফোকাস কিওয়ার্ড রাখার চেষ্টা করবেন। গুগলে সবচেয়ে বেশি ম্যাজিকের মতো কাজ করে সেটা হচ্ছে লং টেইল কীওয়ার্ড আপনি যদি দীর্ঘমেয়াদী লং টেইল কীওয়ার্ড ইউজ করেন তাহলে দেখবেন দীর্ঘমেয়াদি আপনার এই ওয়েবসাইটটি গুগলের থাকবে এবং আপনি ফাস্ট পেজে খুব সহজেই চলে যেতে পারবেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই।

পৃষ্ঠা লোড সময়  ( Page Load Time )

একটি ওয়েবসাইটের লোডিং স্পিডে যদি খারাপ থাকে তাহলে কখনোই একজন ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে আসবে না ভিজিটর চায় অল্প সময়ের ভিতর তার ইনফর্মেশন টি পেয়ে যেতে। তাই সবসময় আপনার ওয়েবসাইট আপনার পেজে লোড সময় গুলো খেয়াল রাখবেন যদি পেজ লোডিং অতিরিক্ত হয় তাহলে একজন ভিজিটর যদি আপনার ওয়েবসাইটটি লোডিং পায় তাহলে আপনার ওয়েবসাইটে আসবে না। আপনার ওয়েবসাইটকে বদলি করার জন্য আমরা যে কাজগুলো এখানে বলে দিলাম সে কাজগুলো আপনারা ফলো করবেন এবং তাইলে আমাদের লোডিং ইস্পিরিট ভারবে টিপস নিয়ে একটি ব্লগ আছে একটু পড়তে পারেন

সাইটম্যাপ  ( Sitemap )

এসইওর একটি গুরুত্বপূর্ণ পাট হচ্ছে সাইটম্যাপ আপনার ওয়েবসাইটটি কে একটি সাইট ম্যাপ এর আন্ডারে আনতে হবে। আর এজন্য আপনার একটি সাইটম্যাপ সেটআপ করতে হবে গুগল সর্বপ্রথম এসে আপনার ওয়েব সাইটের সাইটম্যাপ আগে চলে যাবে দেখব এখানে কি কি আছে তারপরে ওইটা ধরে এগোবেন
তাই অবশ্যই আপনার ওয়েব সাইটের সাইটম্যাপ ইন্সটল করবেন।

রোবট ফাইল  ( Robots file )

রোবট ফাইল এটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু একটা ওয়েবসাইটের জন্য রোবট ফাইল হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটটি গুগলের রোবট এসে কোন জিনিসটা দেখতে পারবে আর কোন জিনিসটা দেখতে পারবেনা এটার একটা অনুমতি পত্র আপনি আপনার রোবট ফাইলটি যেভাবে ওইখানে টাইপ করে দিবেন গুগোল সেভাবেই আপনার ওয়েবসাইটটি কে দেখবে। যদি কোনোকিছু ইন্ডেক্স করতে বলেন তাহলে ইন্ডেক্স করবে কোন কিছু যদি ইন্ডেক্স করতেন না করেন তাহলে ইন্ডেক্স করবে না গুগল।

 

গুগল বিশ্লেষক  ( Google Analytics )

আরো যদি বিস্তারিত গুগলের এসইও সম্পর্কে জানতে চান বা গুগলের এসইও একটি বিশাল গ্যালারি যেটার কোনো শেষ নেই। আপনি অনেক কিছু seo মাধ্যমে করতে পারেন। আমি আপনাদেরকে ছোট একটি ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করলাম এই ধারণা থেকে আপনি আপনার এসইও ওয়েবসাইটটিকে ফ্রেন্ডলি করতে পারেন। এবং গুগলের রেংকে চলে আসতে পারেন তবে এসইওর কাজ কিন্তু একদিন দুদিনের না নিয়মিত প্রতিনিয়ত করে যেতে হয়। তাহলে আপনাকে ভালো রেজাল্ট দিবে গুগোল এবং আপনি ভালো রেজাল্ট আশা করতে পারেন এ জন্য আরও বিস্তারিত টিপস পেতে। আমি টপ 10 টি সাইট আছে তবে আমি দশটি দিব না আজকে আমি আপনাদেরকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সাইট আপনাদের এখানে লিংক দিয়ে দিব আপনার ঐখান থেকে আরও বিভিন্ন ধরনের প্রতিনিয়ত আপডেট পাবেন তবে সেগুলো হচ্ছে

১/  neilpatel.com
২/ en.wikipedia.org
৩/ moz.com

চূড়ান্ত এসইও স্কোর  ( Final SEO Score )

এসইওর স্কোর আপনি খুব সহজেই দেখতে পারবেন যে আপনার ওয়েবসাইটটি কিরকম এসইও ফ্রেন্ডলি হয়েছে কত পার্সেন্ট এসইও ফলো করেছে সেটা দেখার জন্য কিছু টুল আছে আমি আপনাদেরকে তিনটি টুলের নাম বলব এই তিনটির যেকোনো একটি নিয়ে আপনি আপনার এসইওর কাজগুলো করতে পারেন। এটা আপনাকেই seo করতে সহযোগিতা করবে কোথায় কি লাগবে কোথায় কি প্রয়োজন সেটা আপনাকে দিকনির্দেশনা দিবে আপনি সেই দিক নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করলে আপনার আর্টিকেলটি এসইও ফ্রেন্ডলি গড়ে তুলতে পারবেন এটার জন্য আমি নিচে তিনটি টুল দিয়ে দিলাম এগুলোর মাধ্যমে আপনি কাজ করতে পারেন।

১/ Google Keyword Planner
২/ moz.com
৩/ ahrefs.com
৪/ SEMrush
৫/ KWFinder

শেষ কথা হল অনপেজ এসইও কি ? আমরা বলতে যেটা বলি একটা এসইওর একটা ওয়েবসাইট এর ভিতরে যে কাজগুলো করতে হয়। গুগোল এর রেংক করানোর জন্য সেটাই হচ্ছে অনপেজ এসইও এটার জন্য আমরা এখানে বিস্তারিত আলোচনা করেছি যে আলোচনাগুলো আপনারা যদি মনোযোগ দিয়ে পড়েন এবং বুঝেন তাহলে আপনারা আপনাদের ওয়েবসাইটকে এসইও ফ্রেন্ডলি করতে পারবেন। আর এ জন্য যা যা প্রয়োজন সে গুলো প্রয়োজন সেগুলো আমি এখানে দিয়ে দিয়েছি আপনারা ফলো করবেন। এই টুল গুলো ব্যাবহার করবেন তাহলে আপনাদের ওয়েবসাইটকে এসইও ফ্রেন্ডলি করতে পারবেন। ( এসইও কি )

অযথা আপনার সময় নষ্ট না করে আপনার যদি আপনাদের নিজেদের কাজগুলো নিজেরাই করেন তাহলে আপনারা কিন্তু অনেকটা এগিয়ে যেতে পারেন। একটা সাইট কে দাঁড় করাতে পারেন খুব ভালো জায়গায় এতে মানুষের যেমন সেবা হবে তেমন আপনারও কিছু বেনিফিট হবে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আপনি একটা ইনকাম জেনারেট করতে পারবেন আর মানুষও আপনার এই সাইট থেকে উপকৃত হবে আশা করি।

আপনারা ফলো করবেন এই টুল গুলো নিয়ে আপনারা কাজ করবেন তাহলে ভালো কিছু করতে পারবেন এরপরের পাটে আপনারা জানতে পারবেন অফ পেজ এসইও কি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করে দেখতে পারেন।

  • Leave a Comment