অফ পেজ এসইও কি? বিস্তারিত দেখুন

অফ পেজ এসইও  ( Off-Page SEO )

এর আগে আমরা জেনেছি অন পেজ এসইও সম্পর্কে এখন জানবো অফ পেজ এসইও এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে একটি ওয়েবসাইট এর জন্য। অফ পেজ এসইও কিভাবে করবেন এবং এটা করার জন্য বিস্তারিত টুলগুলো কি কি লাগবে এবং কিভাবে শুরু করতে পারেন। তার বিস্তারিত আলোচনা আমরা এই পোস্টে তুলে দরবো পড়তে থাকুন।

অফ পেজ এসইও করতে অনেকগুলো টুল এর প্রয়োজন হয় অনেক এনালাইসিস এর প্রয়োজন হয় যা আপনাকে এই পোস্টটি পড়ার মাধ্যমে শিখিয়ে দেওয়া হবে হাতে-কলমে তো শুরু করি।

 

অন্তর্মুখী লিঙ্ক (ব্যাক লিঙ্ক)  ( Inbound Links (Back Links)

ব্যাকলিংক ব্যাকলিংক হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ একটা ইস্যু একটা ওয়েবসাইটের জন্য। একটি ওয়েবসাইটের যত ব্যাকলিংক থাকবে গুগল তাকে তত স্কোর দিয়ে থাকে এবং রেংকে নিয়ে আসতে থাকবে তাই আপনাকে হিউজ পরিমাণে ব্যাকলিংক তৈরী করতে হবে। এখন ব্যাকলিংক এর বিভিন্ন ধরন আছে একটা ডুফলো আরেকটা হচ্ছে নওফলো আপনাকে দুইটিই করতে হবে এই লিংকেরই ভূমিকা অপরিসীম।

ডুফলো আর নফলো এর ভিতর পার্থক্য হচ্ছে ডুফলো লিংক যেটা সেটা হচ্ছে গুগোল এর রোবটকে অনুমতি দেয় ওয়েবসাইটের আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আর নওফলো হচ্ছে গুগলের রোবটকে অনুমতি দেয় না ওই আর্টিকেলটা ওই লিঙ্কে ডুকার জন্য।

লিঙ্ক করার অনেকগুলো নিয়ম আছে যে নিয়ম এর মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন ধরনের লিঙ্ক তৈরি করতে পারেন সেগুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করবো।

 

ব্যাকলিংক

 

বিভিন্ন ধরনের হয় যেমন  ( There are different types such as )

 

ব্যাকলিংক Backlink
১/ প্রোফাইল ব্যাকলিংক
২/ গেস্ট পোস্ট ব্যাকলিংক
৩/ ডিরেক্টরি ব্যাকলিংক
৪/ কমেন্ট ব্যাকলিংক
৫/ আর্টিকেল সাবমিশন ব্যাকলিংক
৬/ ওয়েব 0.2 ব্যাকলিংক
৭/ ক্লাসিফাইড ব্যাকলিংক
৮/ সোশ্যাল বুকমার্কিং ব্যাকলিংক
1 / profile backlink
2 / Guest post backlink
3 / directory backlinks
4 / Comment backlink
5 / Article submission backlink
৬ / web 0.2 backlinks
6 / Classified backlinks
6 / Social bookmarking backlinks

 

#প্রোফাইল ব্যাকলিংক ( Profile backlinks )

সর্বপ্রথম আপনি প্রোফাইল ব্যাকলিংক করতে পারেন প্রফাইল বাকলিনক হচ্ছে আপনি বিভিন্ন জায়গায় আপনার প্রোফাইল তৈরী করবেন। এবং আপনার ওয়েবসাইটের লিঙ্ক এখানে সাবমিট করার মাধ্যমে আপনি প্রোফাইল লিঙ্ক করতে পারে। তাই আপনি প্রোফাইল লিঙ্ক এর জন্য অনেকগুলো ওয়েবসাইট পাবেন যারা প্রোফাইল লিঙ্ক টা সাপোর্ট করে আপনি ওইখানে প্রোফাইল তৈরি করবেন আপনার লিংকটা সাবমিট করে দিবেন এতে করে আপনি কিছু প্রোফাইল লিঙ্ক পাবেন।

# গেস্ট পোস্ট ব্যাকলিংক  ( Guest post backlinks )

 

গেস্ট পোস্ট ব্যাকলিংক এর মাধ্যমে আপনি লিংক নিতে পারেন এটা খুব কার্যকরী একটা লিংক। যেটা আপনার জন্য ভালো একটি ওয়েবসাইটে আপনি একটা আর্টিকেল লিখে দেওয়ার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক টা ওই আর্টিকেল দিবেন অন্যদের ওয়েবসাইটে পাবলিশ করবেন এটাই হচ্ছে প্রফাইল বাকলিনক। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকরী একটা পন্থা এই গেস্ট পোস্ট ব্যাকলিংক এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটটিকে অনেক রেংকিং এ নিয়ে আসতে পারেন এবং ফাস্ট পেজে নিয়ে আসতে পারেন।

# ডিরেক্টরি ব্যাকলিংক ( Directory backlinks )

ডিরেক্টরি ব্যাকলিংক হচ্ছে একটি ওয়েবসাইটে আপনার ওয়েবসাইটি গিয়ে লিস্টিং করার মাধ্যমে আপনি একটি লিংক পাবেন এটা হচ্ছে ডিরেক্টরি ব্যাকলিংক বলে। এই ব্যাকলিংক তেমন কার্যকর না হলেও কিছুটা ভূমিকা পালন করে। আপনি ওয়েবসাইটে দিরেক্টরি ব্যাকলিংক লিখে সার্চ করলে অনেকগুলো ওয়েবসাইট পাবেন যেখানে আপনি আপনার ওয়েবসাইটটিকে লিস্টিং করণের মাধ্যমে একটি লিংক নিতে পারেন

কমেন্ট ব্যাকলিংক ( Comment backlinks )

কমেন্ট ব্যাকলিংক এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকলিংক যে ব্যাকলিংক এর মাধ্যমে খুব সহজেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটটি কে রেংকে নিয়ে আসতে পারেন। এটি হচ্ছে আমার একটি নিজের এক্সপেরিমেন্ট কারণ আমি অনেক ব্লগে কমেন্টিং এর মাধ্যমে অনেকগুলো সাইডকে রেংকে নিয়ে আসতে পেরেছি। তাই আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে আপনাদের কাছে তুলে ধরলাম কমেন্ট ব্যাকলিংক সম্পর্কে। আপনি করতে পারেন আপনার সাইটের জন্য কমেন্ট ব্যাকলিংক এর মাধ্যমে একটি লিংক নিতে পারেন এতে করে আপনার সাইটটি রাঙ্কিং এ চলে আসবে।

আর্টিকেল সাবমিশন

আর্টিকেল সাবমিশন  ( Article submission )

বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেল সাবমিশন সাইট রয়েছে যেখানে আপনি বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেল সাবমিশন করার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক নিতে পারেন। আপনি গুগলে গিয়ে সার্চ করলেই বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেল সাবমিশন সাইট পেয়ে যাবেন। ওই সাইট গুলোতে আপনার লিংকটি দিয়ে দিতে পারেন।

 

ওয়েব 0.2 ব্যাকলিংক ( Web 0.2 Backlinks )

ওয়েব 0.2 ব্যাকলিংক এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকলিংক ওয়েবসাইট এর জন্য। যে ওয়েবসাইটগুলোর মাদ্ধমে আপনি খুব সহজে ফ্রিতে ব্যাকলিংক নিতে পারেন সে গুলো হলো ওয়েব 0.2 ব্যাকলিংক। এজন্য আপনাকে বিভিন্ন সাইটে একাউন্ট করতে হবে ওয়েব 2.0 পয়েন্টে বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেল সাবমিশন করে ওই আর্টিকেলগুলো আপনার ওয়েবসাইট লিংক দিতে পারেন। এতে করে আপনি ওয়েব 0.2 ব্যাকলিংক পেয়ে যাবেন। অনেক এসইও এক্সপার্ট ওয়েব ওয়েব 0.2 ব্যাকলিংক করে থাকেন এতে তারা ভাল ফলাফল পেয়েছেন তাই আমি সাজেস্ট করি ব্যক্তিগতভাবে আপনার ওয়েব 0.2 ব্যাকলিংক অ্যাকাউন্ট গুলো খুলতে পারেন এবং সেখানে আপনি আপনার কাংখিত ব্যাকলিংক নিয়ে একটি ভালো রেজাল্ট করতে পারেন।

 

ক্লাসিফাইড ব্যাকলিংক ( Classified backlinks )

ক্লাসিফাইড ব্যাকলিংক নিন কয়েকটি কমন ব্যাকলিংক করার মাধ্যমে আপনি একটি দারুন ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারেন।

 

সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইট ( Social bookmarking site )

সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইট সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটের মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন ধরনের লিঙ্ক পেয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া সোশ্যাল শেয়ারিং এর মাধ্যমে আপনি সোশ্যাল বুকমার্কিং করতে পারেন।

 

ব্যাকলিংক

 

ব্যাকলিংক কেন গুরুত্বপূর্ণ  ( Why backlinks are important )

ব্যাকলিংক কেন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকলিংক এই কারণে গুরুত্বপূর্ণ আপনি বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনতে পারবেন খুবই সহজে ব্যাকলিংক এর মাধ্যমে। ওয়েবসাইটগুলোতে ব্যাকলিংক করতে হবে যে ওয়েব সাইটগুলি অনেক পরিমাণে ভিজিটর থাকে এতে করে ওইখান থেকে আপনি একটা ব্যাকলিংক পাওয়া মানে অনেক কিছু। কারণ সে আপনাকে তার ভিজিটর গুলো আপনার কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন লিংকের মাধ্যমে। তাই ব্যাকলিংক যে যত বেশি করে সে তত ভিজিটর পেয়ে থাকে তাই আপনি ইউজ পরিমাণে ব্যাকলিংক করার চেষ্টা করবেন ব্যাকলিঙ্ক এসইওর একটি গুরুত্বপূর্ণ পাট।

সম্পর্কিত এবং সুযোগ কীওয়ার্ড  ( Related and Opportunity Keywords )

এসইওর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কিওয়ার্ড আপনি যদি ভাল মানের কিওয়ার্ড রিসার্চ না করতে পারেন তাহলে ভালো ট্রাফিক পাওয়া সম্ভব না। আপনাকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিতে হবে কিওয়ার্ড রিসার্চ এর উপরে বেশি। আপনি যেরকম ভালোভালো কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারবেন তেমন ভালো ভিজিটর পাবেন। ভালো কিওয়ার্ড রিসার্চ করে সেই কিওয়ার্ডগুলো দিয়ে সুন্দর আর্টিকেল লিখলে সেটা অপটিমাইজ আর্টিকেল হিসেবে গ্রহণযোগ্যতা পায়।

 

কীওয়ার্ড অসুবিধা  ( Keyword difficulty )

কিওয়ার্ড অসুবিধা বলতে আমরা বুঝি কিওয়ার্ড একটা নির্দিষ্ট পরিমাণে দিতে হয়, কারণ এর বেশিও যদি দিয়ে একটা আর্টিকেল লিখা হয় এর ভিতরে ব্যবহার করেন তাহলে দেখা যায় এই আর্টিকেলটি গুগোল আর পছন্দ করে না। ভালো ব্যাঙ্ক দেয়না আর্টিকেলটি গুগোল ব্লকলিস্টে রেখে দেয় । একটা আর্টিকেল লেখার আগে চিন্তা করতে হবে কোথায় কোথায় কী-ওয়ার্ডটি বসানো যায় এবং কি পরিমানে আপনি কতগুলো ওয়ার্ডে কিওয়ার্ড কি পরিমাণে দিতে হয় সেটা আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে। আপনি যত বড় আর্টিকেল লিখবেন ততবেশি আপনি কীওয়ার্ড ইউজ করবেন যত কম মাত্রায় আপনি আর্টিকেলটি লেখবেন তত কম কিওয়ার্ড বসাবেন এতে করে আপনার কিওয়ার্ডগুলো সুন্দরভাবে গুগোল রেংক করবে আর কোন সমস্যা হবে না।

ডোমেইন এর বয়স  ( Domain Age )

একটা ডোমেইন এর বয়স অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ একটা ডোমেইন এর যত বয়স বেশি হবে ততোই ডোমেইন গুগোল ভালো রেংক দেয়। একটা ডোমেইন যদি 10 বছরের হয় তাহলে এক বছরের ডোমেইন কখোনই 10 বছরের সাথে পারবেনা কারন গুগল ওই ডোমেইনটি 10 বছর ধরে চিনে আর এক বছরে ডোমেইন মাত্র কয়েকদিন ধরে গুগোল চিনে। এখন একটা আর্টিকেল পাবলিশ করা হয় দশ বছরের এবং এক বছরের ডোমেইনে তাহলে সর্বপ্রথম গুগোল 10 বছরের কাছে আগে যাবে এবং 10 বছরের ডোমেইনকে গুগোল রেংক আগে দিবে আর এক বছর ডোমেইন কে গুগোল পিছনে ফেলে রাখবে সবসময় এটা মনে রাখবেন তাই ডোমেইন এর বয়স যত বাড়বে তত ডোমেইন এর মান বাড়বে।
তাই আপনারা ডোমেইনের বয়স বৃদ্ধি করার চেষ্টা করবেন এবং ধীরে ধীরে এগোনোর চেষ্টা করবেন তাহলে আপনারা সাকসেস খুব তাড়াতাড়ি পাবেন।

 

আলেক্সা র‍্যাঙ্ক ( Alexa Rank )

এলেক্সা রেংক একটা দারুণ একটা বিষয় সেটা হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট এর মান দেখে এলেক্সা রেংক দিয়ে থাকে আপনার ওয়েবসাইটের অগ্রগতি আপনার ওয়েবসাইটের ফিগারেশন আপনার ওয়েবসাইটের টপিকের ওপর এ আলেক্সা আপনার ওয়েবসাইটকে একটা র‍্যাঙ্ক দিয়ে থাকে। যে ব্যাংকের মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইটটি কি পরিমানে অগ্রগতি হচ্ছে কিরকম আপডেট হচ্ছে সেটা বুঝতে পারেন এলেক্সা রেংক এর মাধ্যমে।

 

ডিএ  ( DA )

ডিএ একটা ওয়েবসাইটের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ডিএ এটা তৈরি করা গেলে একটা ওয়েবসাইট সত্যিই অসাধারণ কাজ করে আর ডিএ এটা তৈরি করার জন্য আপনাকে প্রচুর পরিমানে সময় দিতে হবে এবং প্রচুর পরিমাণে ব্যাকলিংক এবং অর্গানিক ট্রাফিক থাকতে হবে। আপনার অনেক ট্রাফিক থাকতে হবে তা হলে আপনার ওয়েবসাইটের DA টা বেড়ে যাবে একটা ওয়েবসাইটের DA 0 থেকে 100 সর্বোচ্চ। সর্বনিম্ন আপনার 1 থেকে 100 এর ভিতরে যদি যে কোন পরিমাণ হয় এর যত বেশি থাকবে DA তত আপনার ওয়েবসাইটের ডিমান্ড বেশি হবে তাই সব সময় এক থেকে একশ ভিতরে আনার অনেক চেষ্টা করে অনেক কোম্পানি তার ওয়েবসাইটটি।

ম্যাজেস্টিক ট্রাস্ট ফ্লো এবং উদ্ধৃতি প্রবাহ  ( Majestic trust flow & citation flow )

ওয়েবসাইটকে এনালাইজ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট এর অডিট করতে হয় প্রতি মাসে মাসে এতে করে বোঝা যায় যে ওয়েবসাইটের অগ্রগতি গুলো কি কি হয়েছে এবং কোথায় কোথায় কাজ করা প্রয়োজন। এই দেখে ওয়েবসাইটের কাজ করা যায় এবং আগের কাজগুলো বুঝা যায় যে কিরকম অগ্রগতি হলো সেই প্লান অনুযায়ী এগোনো যায়। অফ পেজ এসইও গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ হলো ম্যাজেস্টিক ট্রাস্ট ফ্লো এবং উদ্ধৃতি প্রবাহ।

সামাজিক শেয়ার  ( Social Share )

সামাজিক শেয়ার বিভিন্ন ফেসবুক টুইটার ইন্টারনেট এর মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েবসাইটকে ভিজিটর বাড়ানোর জন্য শেয়ার করতে হয়। বিভিন্ন পোস্ট করতে পারেন আপনার ওয়েবসাইট সম্পর্কে এতে করে দেখা যায় ওইখানে হাজার হাজার লক্ষ লক্ষ কোটি কোটী ভিজিটর থাকে সেই ভিজিটর গুলো আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করবে এবং দেখবে বিভিন্ন পোস্ট পড়বে তাদের ভাল লাগলে তারা আপনার ওয়েবসাইটকে আবার আসবে এতে করে আপনি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের বিভিন্ন ট্রাফিক আপনি পাচ্ছেন যার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট এর রেংক বাড়বে এবং ওয়েবসাইট লিঙ্ক পাবেন।

অতএব আপনারা বুঝতে পারছেন যে অফ পেজ এসইও কতটা গুরুত্বপূর্ণ আপনারা ওয়েবসাইট এর জন্য। উপরের লেখাগুলো পড়লে বুঝতে পারবেন অফ পেজ এসইও কি কি করতে হয় একটা ওয়েবসাইটের জন্য। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলো তুলে ধরা হয়েছে এগুলো আপনার ওয়েবসাইটের করতে পারেন আপনি নিজেই। ব্লগ টি উপর থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ার মাধ্যমে আপনি একটা অভিজ্ঞতা পেয়ে যাবেন এবং বাস্তবধর্মী কিভাবে কি করতে হয় এগুলো সব জানতে পারবেন।

আশা করি আমাদের পোস্টটি পড়েছেন ভালো লেগেছে যদি ভালো লেগে থাকে আমাদের আরও বিভিন্ন ধরনের পোস্ট আছে ওগুলো আপনারা পড়তে পারেন নিচে ওই পোস্টগুলো দেখার জন্য ক্লিক করে চলে যেতে পারেন আমাদের হোমপেজে

  • Leave a Comment