সকল শ্রেণীর অ্যাসাইনমেন্ট

 

অ্যাসাইনমেন্ট হল ছাত্রদের তাদের শিক্ষক এবং গৃহশিক্ষকদের দ্বারা নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন করার জন্য যেকোনো ধরনের কাজ। এটি শুধু ছাত্ররাই করে না বরং এটি অনেক চাকরি জিবিদেরও করতে হয়।  শেখার অংশ হিসাবে কাউকে দেওয়া কাজ হিসাবেও উল্লেখ করা যেতে পারে। যাকে এসাইনমেন্ট বলে। অ্যাসাইনমেন্ট শুধু লিখিত হবে তার কোনো মানে নেই অ্যাসাইনমেন্ট লিখিত, ব্যবহারিক আকারে বা এমনকি অনলাইনে হতে পারে। শিক্ষকদের উদ্দেশ্য হল শিক্ষার্থীরা বিষয়টা যেন ভালোভাবে বুঝতে পারে।সাধারণত, শিক্ষার্থীদের তাদের বাড়ির কাজের অংশ হিসাবে একটি কাজ দেওয়া হয় । 

 

এগুলি একটি বিষয়ের প্রতি ব্যক্তির ক্ষমতা এবং বোঝার বিচার করার একটি দুর্দান্ত উপায়। সর্বোপরি বেক্তির সৃজনশীল মনন তৈরিতে, নিজের নিজের কাজ করতে পারার ক্ষমতা তৈরিতে ভুমিকা রাখে। ফলে ছাত্ররা মানসিকভাবে সবল হয়ে উঠে। অ্যাসাইনমেন্ট শুধু ছাত্ররাই করে না বরং এটি জীবনের সাময়িক ক্ষেত্রেই করতে হয় যেমন আপনার স্ত্রী আপনাকে বাজারে মাছ কিনতে পাঠিয়েছে অথচ আপনার বাসায় মাছের সাথে রান্না করে খাওয়ার মত কিছু নেই তাই আপনি সাথে পেঁয়াজ, মরিচ, ডাটা ইত্যাদি ক্রয় করে বাসায় গেলেন এতে আপনার স্ত্রী অনেক খুশি। ঠিক সেই ভাবে আপনাকে আপনার শিক্ষক বা বস আপনাকে যে বাড়ির কাজ দেই সেটি সুন্দরভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে করলেও বেশি আগ্রহ পাওয়া যায়।

 

অ্যাসাইনমেন্ট অর্থ কি? এই প্রশ্নটি আপনার মনে প্রচুর এসেছে নিশ্চয়? এই জন্য সার্চ করেছেন ইন্টারনেটে। হয়ত কোন বড় ভাই এর মুখে শুনেছেন কিংবা কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় এ শিক্ষক এর কাছে শুনেছেন। অ্যাসাইনমেন্ট শব্দটি আমাদের প্রত্যেকেরই এইভাবেই প্রথম শোনা হয়েছিল। আমি নিজেও একসময় জানতাম না অ্যাসাইনমেন্ট অর্থ কি। তাই একদিন গুগল এ সার্চ করে দেখলাম অ্যাসাইনমেন্ট অর্থ নিয়োগ তবে এর আরও অনেগুলো অর্থ রয়েছে।

 

এসাইনমেন্ট এর আরও কিছু অর্থ রয়েছে আপনি ডিকশনারিতে দেখতে পারেন যেমন: স্থিরীকরণ, কর্তব্য, কাজ, বরাত, বণ্টন ইত্যাদি। কিন্তু আমরা সাধারণত অ্যাসাইনমেন্ট বলতে শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রদের বাড়ির কাজ যেখানে কিছু বিষয়ে প্রশ্ন থাকে যা সত্ররা উত্তর করে শিক্ষককে জমা দেয়। এককথায় অ্যাসাইনমেন্ট বলতে বাড়ির কাজকেই বুঝায়।

 

অ্যাসাইনমেন্ট কি?

 

অ্যাসাইনমেন্ট কি?  ( What is the assignment? )

 

আমরা যারা স্কুল কলেজ বা বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত রয়েছে তারা কমবেশি অ্যাসাইনমেন্ট শব্দটির সাথে বেশ পরিচিত। অ্যাসাইনমেন্ট শব্দের অর্থ কাজ। যা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কর্তৃক সহকারীদের জন্য এক প্রকার বাড়ির কাজ। অ্যাসাইনমেন্ট শুধুমাত্র একটি শ্রেণী বা বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এই পদ্ধতিটি জীবনের যে কোন পর্যায়ে যেকোনো ধরনের কাজে প্রয়োগ করা যেতে পারে। অ্যাসাইনমেন্ট যেমন কষ্টের তেমন এর অনেক সুফল রয়েছে তার মধ্যে কিছু যেমন: 

 

অ্যাসাইনমেন্ট শিক্ষার্থীদের জন্য হতে পারে আবার ডাক্তারের জন্যও হতে পারে অবংকি একজন শিক্ষকের ও হতে পারে। মোট কথা অ্যাসাইনমেন্ট কোনো কিছুর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।  চলুন জেনে নিই অ্যাসাইনমেন্টের সুবিধাসমুহ:

 

১. কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে জ্ঞান বৃদ্ধি করে

২. লেখার দক্ষতা বৃদ্ধি করে

৩. ভালো উপস্থাপন তৈরি করতে সাহায্য করে

৪. পরিক্ষার চাপ কমায়

৫. সময় ব্যবস্থাপনা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধি

৬. বিশ্লেষণাত্মক ক্ষমতা তৈরি হয়

৭. বাস্তব জীবনের উদাহরণ প্রয়োগ শেখার উন্নতি করে

 

কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে জ্ঞান বৃদ্ধি করে  ( Increases knowledge on a particular subject )

 

যেহেতু অ্যাসাইনমেন্ট কোনো একটু নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর হয়ে থাকে তাই । আপনি যদি ঐ বিষয়ে পড়ালেখা করে সেই বিষয়ে লেখেন তাহলে দেখবেন আপনার সেই বিষয়ে জ্ঞান বৃদ্ধি পাবে। কারণ একটি বিষয় দীর্ঘক্ষণ কাজ করলে সেই বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়। তাই স্বাভাবিক ভাবেই অ্যাসাইনমেন্ট কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে জ্ঞান বৃদ্ধি করে।

 

লেখার দক্ষতা বৃদ্ধি করে  ( Improves writing skills )

 

স্বাভাবিক ভাবেই অ্যাসাইনমেন্ট আমাদের লিখতে হয়। সম্প্রতি আমরা যারা স্কুল ও কলেজের ছাত্র ছিলাম তারা জানি অ্যাসাইনমেন্ট করা কত কষ্টের এবং অ্যাসাইনমেন্ট এ কত কিছু লিখতে হয়। একটি বিষয় দীর্ঘদিন কাজ করলে যেমন সেই কাজ পরবর্তীতে নির্ভুল এবং দক্ষতার সাথে সম্পূর্ণ করা যায় তেমনি আপনি যদি মাঝে মাঝে অ্যাসাইনমেন্ট করেন তাহলে আপনার যেমন হাতের লেখা সুন্দর হবে তেমনি লেখার দক্ষতাও বৃদ্ধি পাবে।

 

ভালো উপস্থাপক তৈরি করে ( Makes a good presenter )

 

আপনি যখন নিয়মিত অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করবেন স্বাভাবিকভাবেই আপনার দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। একজন নিষ্ঠাবান উপস্থাপক হওয়ার পূর্বশর্ত হলো নিয়মিত সেই বিষয়ে অনুশীলন করা যেই বিষয়ে আপনি উপস্থাপন করতে চান। আপনি যেহেতু আগে থেকেই উপথাপিনা কাজে অভ্যস্থ তাই স্বাভাবিক ভাবেই আপনি একজন ভালো উপস্থাকোক। বাংলাদেশে চাকরির জন্য একজন অভিজ্ঞ উপস্থাপকের ঘুরতে হয় না। বরং অনেক সুনামধন্য কোম্পানি তাদের খুঁজে।

 

পরিক্ষার চাপ কমায় ( Reduces exam stress )

 

কোনো ছাত্র যখন নিয়মিত অ্যাসাইনমেন্ট করবে তাকে অবশ্যই নিয়মিত পড়ালেখা করতে হবে। আর নিয়মিত পড়ালেখা করলেই পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করা যায় এটি সবাই জানে। পরীক্ষার আগে মাথা ঠাণ্ডা করে পড়াশোনা করলে যেমন পারলে ভালো রেজাল্ট নিশ্চিত করা সম্ভব। তেমনি নিয়মিত অ্যাসাইনমেন্ট করলে পরীক্ষা সহজ হয়ে যায়। কেননা নিয়মিত অ্যাসাইনমেন্ট করলে পড়ালেখা নিয়মিত হয়। তাই পরীক্ষার সময় কোনো চাপ আসে না।

 

সময় ব্যবস্থাপনা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধি ( Improve time management and organizational skills )

 

অ্যাসাইনমেন্ট খুবই কঠিন কাজ তাই এটি করতে অবশ্যই সময় বেশি লাগে। সময় নির্ধারণ করে করে অ্যাসাইনমেন্ট করলে যেমন সময় ব্যাবস্থাপনা সম্পর্কে ভালো জ্ঞান হয়। তেমনি নিয়মিত অ্যাসাইনমেন্ট করার ফলে সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

 

বিশ্লেষণাত্মক ক্ষমতা তৈরি হয়  ( Analytical skills are developed )

 

অ্যাসাইনমেন্ট আপনার বিশ্লেষণাত্মক ক্ষমতা তৈরি করে। শিক্ষক যে ছাত্রদের অ্যাসাইনমেন্ট দেয় সেগুলো বেশিরভাগ বইয়ের বাইরে থেকে। অর্থাৎ আপনাকে একটি অধ্যায় পড়বে তারপর সেই অধ্যায়ের উপর ভিত্তি করে আপনাকে অ্যাসাইনমেন্ট দিবে। অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে আপনাকে মূল্যায়ন করা হবে যে আপনি আসলে কতটুকু সফল হয়েছেন সেই অধ্যায়ের উপর। আপনাকে বিভিন্ন ভাবে বিশ্লেষণ করে সেই অ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তর লিখতে হবে । নিয়মিত এভাবে অ্যাসাইনমেন্ট করলে অবশ্যই আপনার বিশ্লেষণাত্মক ক্ষমতা তৈরি হয়।

 

বাস্তব জীবনের উদাহরণ প্রয়োগ শেখায় ( Real life examples teach application )

 

অ্যাসাইনমেন্ট যেমন বিশ্লেষণাত্মক ক্ষমতা তৈরি করে সেই সাথে বাস্তব জীবনের উদাহরণ প্রয়োগ শেখায়। বিভিন্ন দিক বিচার বিশ্লেষণ করে যেহেতু অ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তর লিখতে হয় সেই সাথে বাস্তব জীবনের বিভিন্ন দিক থেকে জ্ঞান অর্জন হয়। জ্ঞান অর্জনের কোনো শেষ নেই। অর্জিত জ্ঞানকে কিভাবে কাজে লাগাবেন তা আপনার ওপর নির্ভর করে। তবে অ্যাসাইনমেন্ট বাস্তব জীবনের উদাহরণ প্রয়োগ শেখায়। আপনি যদি নিয়মিত অ্যাসাইনমেন্ট করেন দেখবেন আপনি খুব সহজেই পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করেছেন। 

 

অ্যাসাইনমেন্টে লিখতে যা যা প্রয়োজন

অ্যাসাইনমেন্টে লিখতে যা যা প্রয়োজন: ( What is required to write in the assignment: )

 

অ্যাসাইনমেন্ট সাধারনত তিনটি ভাগে লিখতে হয়।

 

প্রথম ভাগে ভূমিকা দিতে হয়, তারপর মূল অংশ এবং সবশেষে উপসংহার দিতে হয়।

 

 অ্যাসাইনমেন্টের ভূমিকা: ( Introduction to Assignment: )

 

সংক্ষিপ্ত ধারনা দিতে হয়। এই অংশটি পড়ে শিক্ষক বা পাঠক পুরো বিষয়টির উপর একটি স্বচ্ছ ধারনা পায়। কাজেই এটি হতে হবে সহজ বোধগম্য। মনে রাখতে হবে অ্যাসাইনমেন্ট এর ভূমিকায় বলে দেবে আপনার সম্পূর্ণ লেখার মান। তাই যতটা পারবেন ভূমিকা সুন্দর ও আকর্ষণীয় করার চেষ্টা করবেন। 

 

অ্যাসাইনমেন্টের মূল অংশ: ( Body of Assignment: ) 

 

 এখানে বিষয়বস্তুর উপর বিশদ বিবরণ দেয়া হবে। খুব সুন্দর ও সহজ ভাষায় পুরো বিষয়বস্তু বর্ণনা করতে হবে যেন শিক্ষক বা পাঠক সহজেই ধারনা পায় বিষয়টি সম্পর্কে। অ্যাসাইনমেন্ট এর বিবরণ গোছানো থাকতে হবে। প্রয়োজনীয় সকল তথ্য থাকতে হবে।

 

অ্যাসাইনমেন্ট তৈরির মাধ্যমে শিক্ষার্থীর সৃজনশীলতা প্রকাশ পায় কাজেই কে কত সুন্দরভাবে অ্যাসাইনমেন্ট উপস্থাপন করতে পেরেছে সেটাতে তার দক্ষতা প্রকাশ পায়। এ বিষয়টি অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। অ্যাসাইনমেন্ট কখনও বই থেকে সম্পূর্ন অনুলিপি তৈরি করবেন না কেননা অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে আপনার দক্ষতাকে যাচাই করা হয় শিক্ষক যদি বুঝতে করে আপনি বই থেকে সম্পূর্ন অনুলিপি তুলে অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করেছেন তাহলে আপনাকে খুব বেশি নম্বর দিবে না। যদিও আপনি সঠিক লিখে থাকেন।

 

অ্যাসাইনমেন্টের উপসংহার: Conclusion of the Assignment:

 

অ্যাসাইনমেন্ট এর এ অংশে আলোচ্য বিষয়ের উপর ইতি টানতে হবে। বিষয়টির ফলাফল সম্পর্কে বলে শেষ করতে হবে। মনে রাখবেন শেষের দিকে ঠিক প্রথমের মতোই ভালো করে লিখতে হবে। প্রবাদ বাক্য আছে শেষ ভালো যার সব ভালো তার। তাই মুল অংশে একটু খারাপ লিখলেই শেষের অংশে একটু ভালো লেখার চেষ্টা করবেন তবেই আপনি ভালো নম্বর পাবেন।

অ্যাসাইনমেন্ট লিখার নিয়ম:

অ্যাসাইনমেন্ট লিখার নিয়ম: Rules for Writing Assignments:

 

অ্যাসাইনমেন্ট লিখার সময় খাতা অবশ্যই পেন্সিল দিয়ে মার্জিন টানা থাকতে হবে। কমপক্ষে এক ইঞ্চি পরিমাণ চারপাশ দিয়ে মার্জিন করে নিবেন। এতে আপনার খাতা দেখতে সুন্দর হবে।

 

  • অ্যাসাইনমেন্ট সাধারনত খাতার ডান পাশে লিখা হয়। তবে বাম পাশে লিখলেও অসুবিধা নেই কিন্তু একটি আদর্শ অ্যাসাইনমেন্টে লিখা সবসময় একপাশেই হয়। পেজের একপাশে লিখলে, অপর পাশে লিখা যাবে না । তবে সবসময় উপর পাশেই লেখা ভালো এতে খাতা দেখতে সুবিধা হয় আর শিক্ষক নম্বর বেশি দিতে পারে।

 

  • অ্যাসাইনমেন্ট ছোট ছোট বাক্যে লিখতে হবে। বড় বড় জটিল লাইন পরিহার করতে হবে। লিখার ভাষা সহজ ও সাবলীল হতে হবে। এক কথায় সাধু ও চলিত ভাষা একসাথে মেশানো যাবে না। হয়তো সাধু না হয় চলিত ভাষায় লিখতে হবে।

 

  • অ্যাসাইনমেন্ট লিখার পরিচিত শব্দ ব্যবহার করা উচিত এবং খাতা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। খাতার সবগুলো পৃষ্ঠা যেন একই মাপে হয় খেয়াল রাখতে হবে।ভালো মানের খাতার পাতা ব্যাবহার করতে হবে।

 

  • অ্যাসাইনমেন্ট লেখায় কোন কাটাকাটি করা যাবেনা। কাটাকাটি করলে শিক্ষক বিরক্তি হয়ে মার্ক কম দিবে।  কালো বলপেন দিয়ে লিখতে হবে।

 

  • অ্যাসাইনমেন্টের খাতার সুন্দর উপস্থাপনের জন্য বিভিন্ন কলার কালি দিয়ে পয়েন্টগুলো লিখা যেতে পারে। এর মানে এই নয় যে আপনি সবগুলো লেখায় কলার কালি দিয়ে লিখবেন শুধু পয়েন্ট গুলো কলার কালি দিয়ে লিখতে করবেন। অন্যথায় আপনার অ্যাসাইনমেন্ট বাতিল করা হবে।

 

  • অ্যাসাইনমেন্টের প্রয়োজনে চিত্র সংযুক্ত করা যেতে পারে। বিজ্ঞান ও গণিতের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়। চিত্র গুলো অবশ্যই পেন্সিলে আঁকা হতে হবে। কোনোভাবেই কলোমদিয়ে আঁকা যাবে না।

 

  • অ্যাসাইনমেন্ট এর শেষে একটি খালি কাগজ যুক্ত করতে হবে। এটা সবসময় মাথায় রাখবেন। এই খালি কাগজ বিশেষ কাজে শিক্ষক ব্যাবহার করবে তাই এই কাগজে কিছু না লিখে খালি রাখবেন।

 

অ্যাসাইনমেন্টের জন্য কয়েকটি সেরা ওয়েবসাইট Some of the best websites for assignments

 

অ্যাসাইনমেন্টের জন্য কয়েকটি সেরা ওয়েবসাইট যেখানে আপনি খুব সহজে সকল প্রকার অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর পাবেন। 

 

১. বিডি এডুকেটর

 

২. টিচার নিউজ

 

৩. EDNOUB

 

৪. The Unique himu

 

৫. রেজাল্ট বাংলাদেশ

 

৬. All result BD

 

৮. ই- জব রেজাল্ট

 

৯. অ্যাডমিশন ওয়ার

 

১০. My assignment help

 

অ্যাসাইনমেন্টের জন্য কয়েকটি সেরা ইউটিউব চ্যানেল Some of the best YouTube channels for assignments

 

অ্যাসাইনমেন্টের জন্য কয়েকটি সেরা ইউটিউব চ্যানেল যেখানে আপনি খুব সহজে সকল প্রকার অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর পাবেন। 

 

১. তালুকদার অ্যাকাডেমি

 

২. MM Institution

 

৩. Sujons Dream

 

৪. 10 minute school

 

৫. Mojar English

 

৬. EDNOUB

 

৭. Education all time

 

৮. Technique easy education

 

৯. Glowing BD News

 

১০. Online education BD

 

অ্যাসাইনমেন্ট লেখার প্রয়োজনীয়তা: Assignment Writing Requirements:

 

অ্যাসাইনমেন্টের কিছু প্রয়োজনীয়তা রয়েছে যদিও বাংলাদেশে এখন আর অ্যাসাইনমেন্ট নেওয়া হয় না। তারপরও আমি মনে করি বাংলাদেশে আবারও অ্যাসাইনমেন্টের কর্যোক্রম চলতি হক। অ্যাসাইনমেন্ট শুধু শেখায় না বরং উন্নতমানের ছাত্র তৈরি করতে সাহায্য করে।

এখন জেনে নিই অ্যাসাইনমেন্টের কিছু প্রয়োজনীয়তা:

 

১. অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে তারা নিজে নিজে শেখায় উদ্বুদ্ধ করে।

 

২.  অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম শিক্ষাবান্ধব।

 

৩. শিক্ষার্থীর শিখন অর্জনে অ্যাসাইনমেন্ট সহায়ক।

 

৪.  অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিজে নিজে লেখাপড়ার অভ্যাস তৈরি হয়েছে।

 

শেখার প্রতি আগ্রহ Interest in learning

 

অ্যাসাইনমেন্ট এর জন্য ছাত্রদের নিয়মিত পড়তে হয় কারণ না পড়লে অ্যাসাইনমেন্টের উত্তর কি লিখব। আর অ্যাসাইনমেন্ট যেহেতু বিশ্লেষন বিষয় তাই শিক্ষার্থীরা নিয়মিত পড়ালেখা করে । এতে করে তাদের কাছে অ্যাসাইনমেন্ট সহজ হয়ে যায়। অপরদিকে নিয়মিত পড়ালেখার ফলে তারা প্রতিদিন নতুন নতুন বিষয় জ্ঞান লাভ করে । আর পোড়ার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়। শিক্ষার কোনো বয়স হয় না আমরা সারাজীবন শিক্ষা নিতে পারব। হক সেতু অভ্যন্তরীণ বা বাহিজ্জিক তারপরও সেটি শিক্ষা। যেমন শিক্ষায় জাতির মেরুদন্ড। মেরুদণ্ডহীন যেমন মানুষ অচল তেমনি শিক্ষা ছাড়া মানুষ অন্ধ।

 

অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম শিক্ষাবান্ধব  Assignment activities are learning friendly

 

শিক্ষা বিহীন একটি জাতি সম্পূর্ণ কর্মঠ। কেননা শিক্ষায় জাতির মেরুদন্ড। শিক্ষা ছাড়া মানুষ অচল। এর এই শিক্ষাকে সহজ করে তুলতে অ্যাসাইনমেন্টের বিকল্প নেই বলে আমি মনে করি। অ্যাসাইনমেন্ট শিক্ষাকে নিয়েগেছে একটি নতুন সম্ভবনাময় শিক্ষা ব্যাবস্থায়। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য আমাদের ছাত্র ছাত্রীরা এই অ্যাসাইনমেন্টের বিপরীত তারা আসলে সঠিক শিক্ষা চাই না। তারা শুধু পরীক্ষায় পাশ করতে চাই কিন্তু এটা জানে না যে সঠিক শিক্ষা ছাড়া পরীক্ষায় পাশ করে কোনো লাভ নেই। বাংলাদেশে চাকরির জন্য হাজারো মানুষের হাহাকার কারণ সঠিক শিক্ষা বেবস্থা।

 

বাংলাদেশে মানুষের সঠিক শিক্ষা ব্যাবস্থার অভাব। কারিগরী জ্ঞান না থাকার কারণে ছাত্র ছাত্রীরা সঠিক দক্ষতা অর্জন করতে পারে না। তাই অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে আমরা সহজেই শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে পারি।

 

শিখন অর্জনে অ্যাসাইনমেন্ট সহায়ক  Assignments help in learning

 

সঠিক নিয়মে অ্যাসাইনমেন্ট করলে যেমন বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন হয় তেমনি কোনো বিষয়ে সঠিক জ্ঞান লাভ করা যায়। পড়ালেখার সহজ করতে অ্যাসাইনমেন্টের বিকল্প নেই বলে আমি মনে করি। অ্যাসাইনমেন্ট শুধু মাধ্যমিকের জন্য নয় বরং সকল শ্রেণীর জন্য অ্যাসাইনমেন্ট দেওয়া প্রয়োজন কারণ অ্যাসাইনমেন্ট আমাদের শিখন অর্জনে সহায়ক।

 

নিজে নিজে লেখাপড়ার অভ্যাস তৈরি  Make a habit of learning by yourself

 

 অনেক ছাত্র ছাত্রীরা যেখানে পোড়ার প্রতি আগ্রহ হারিয়েছিল সেখানে অ্যাসাইনমেন্টের কারণে সবাই কিছুদিন মনোযোগ দিয়ে পড়ালেখা করেছে কারণ তাদের নিয়মিত অ্যাসাইনমেন্টের জমা দিতে হবে। যেহেতু বাংলাদেশে সরকারের হুকুম পালন করতে হবে তাই সকল শিক্ষার্থী করণার মধ্যে নিয়মিত পড়ালেখা করছে শুধুমাত্র অ্যাসাইনমেন্টের জন্য। তাহলে আমরা এ খানেই বুঝতে পড়ি অ্যাসাইনমেন্টের কারণে ছাত্র ছাত্রীরা নিজে নিজে পড়ালেখার অভ্যাস তৈরি করেছিল। তাই আমি মনে করি বাংলাদেশে সরকার ক্লাসে পড়ানোর পাশাপাশি অ্যাসাইনমেন্টের বেবস্থা করুক।

অ্যাসাইনমেন্ট থেকে আমাদের কি লাভ

অ্যাসাইনমেন্ট থেকে আমাদের কি লাভ  What do we gain from the assignment?

অ্যাসাইনমেন্ট শব্দের আভিধানিক অর্থ দাঁড়ায় নিয়োজিত কাজ।  এক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের সুবিধা মত বিষয়ে অ্যাসাইনমেন্ট দিবে আর অধীনস্তদের তা করতে হবে। তবে অধিকাংশ শিক্ষার্থীই এই শব্দের সঙ্গে পরিচিত নয়। কেউ কেউ বুঝতেই পারছে না আসলে লিখবেটা কী? অ্যাসাইনমেন্টের সঙ্গে তাদের কখনোই যোগসূত্র ছিল না এগুলি একটি বিষয়ের প্রতি ব্যক্তির ক্ষমতা এবং বোঝার বিচার করার একটি দুর্দান্ত উপায়। সর্বোপরি বেক্তির সৃজনশীল মনন তৈরিতে, নিজের নিজের কাজ করতে পারার ক্ষমতা তৈরিতে ভুমিকা রাখে। ফলে ছাত্ররা মানসিকভাবে সবল হয়ে উঠে।। অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কতটুকু মেধার মূল্যায়ন হবে, তা প্রশ্নবিদ্ধ। 

 

মাউশির জারি করা প্রজ্ঞাপনের পর অনেক শিক্ষাবিদই এর বিপক্ষে মন্তব্য করেছেন। শিক্ষা গবেষক অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমানের ভাষ্যমতে, ‘শিক্ষার্থীদের আমরা শেখাব। শেখার চেয়ে মূল্যায়নের গুরুত্ব বেশি না। এটা নামকাওয়াস্তে একটা অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে তাদের মূল্যায়ন হবে। শেখাতে পারলাম না কিন্তু তাকে পরবর্তী ক্লাসে উঠিয়ে দিলাম। এতে বিশাল লার্নিং গ্যাপ তৈরি হবে। সুতরাং আমরা বলতেই পারি অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে কাউকে মূল্যায়ন করা যায় না। সবকিছু নিজের উপর নির্ভর করে।

  • Leave a Comment