ফেসবুক ইউটিউব থেকে আয় কিভাবে করা যায় টিপস- 2

ফেসবুক ইউটিউব থেকে আয় কিভাবে করা যায়  ( How to make income from facebook youtube )

ফেসবুক ইউটিউব থেকে আয়  করার জন্য আমাদের এই টিউটোরিয়ালটি করা হয়েছে আপনার যদি ফেসবুক ইউটিউব থেকে আয় করতে চান তাহলে পুরো আর্টিকেলটি পড়ুন।

ফেসবুক ইউটিউব থেকে আয় করতে হলে যা যা করতে হবে। ইউটিউব এর ক্ষেত্রে প্রথমে একটি চ্যানেল তৈরি করতে হবে জিমেইল ব্যবহার করে ইউটিউবে লগইন করে চ্যানেল তৈরি করা যায়। ফেসবুকের ক্ষেত্রে একটি পেজ তৈরী করতে হবে যেখানে আপনার কনটেন্ট গুলো প্রদর্শিত হবে। এগুলো করার জন্য আপনার বয়স অন্তত ১৮ বছর বা তার বেশি হতে হবে। তাহলেই অনলাইনে ইউটিউব ও ফেসবুক থেকে ইনকাম করার জন্য উপযুক্ত হবেন।

মনিটাইজেশন ( Monetization )

মনিটাইজেশন

 

ফেসবুক মনিটাইজেশন এর ক্ষেত্রে আপনাদের যে শর্তগুলো মানতে হবে তা হল। আপনাকে ফেসবুকে অনেকগুলো ভিডিও আপলোড করতে হবে ভিডিওর লিংক হতে হবে সর্বনিম্ন তিন মিনিট। ১০ হাজার ফলোয়ার থাকতে হবে। ভিডিও অন্তত এক মিনিট দেখার রেকর্ড থাকতে হবে। গত ৬০ দিনের ভিডিও গুলো মিলে 6 লাখ মিনিট ভিউ থাকতে হবে সংশ্লিষ্ট দেশ ফেসবুকের জন্য গ্রহণ যোগ্যতা থাকতে হবে। তবে খুশির বিষয় হচ্ছে বাংলাদেশে ফেসবুক মনিটাইজেশন একসেপ্ট করে। পেজে এমন কোন ছবি বা ভিডিও কনটেন্ট থাকতে পারবে না যেগুলো ফেসবুকের নীতিমালা ভঙ্গ করে, বিশেষ করে এমন ভিডিও তৈরি করতে হবে যেগুলো সব বয়সী সবাই দেখতে পারে। তাহলেই ফেসবুকের পেজ মনিটাইজেশন অন করার উপযুক্ত হবে এবং আপনার ভিডিওতে এড দেখানো শুরু করবে।

 

ফেসবুকে এমন অনেক পেজ আছে যে পেজে লাখ লাখ লাইক ফলোয়ার আছে কিন্তু তারা মনিটাইজেশন এখনো পাইনি। আবার অনেক পেজ আছে ৩০ বা ২০ হাজার ফলোয়ার লাইক দিয়েই তারা মনিটাইজেশন পেয়েছে। এ ক্ষেত্রে দেখা যায় যে ফেসবুকের নিয়ম কারণ না মানার কারণে অনেক সময় মনিটাইজেশন পায়না। উল্লেখ্য ফেসবুকের মনিটাইজেশন পেতে হলে আপনাকে ফেসবুকের সকল শর্ত মেনে নিতে হবে । ফেসবুকে মনিটাইজেশন পেতে হলে আপনাকে পেজে ভিডিও আপলোড দিতে হবে। আপনি যদি প্রোফাইলে বা গ্রুপের ভিডিও আপলোড করেন তাহলে সেটা গ্রহণযোগ্যতা পাবে না শুধু ফেসবুকের পেজ থেকে ভিডিও আপলোড দিলেই মনিটাইজেশন পাওয়া সম্ভব।

কন্টেন  ( content )

ফেসবুক ইউটিউব এর ক্ষেত্রে কনটেন্ট সবচেয়ে মূল্যবান একটি বিষয়। ভিডিও দেখার প্রবণতা ইত্যাদি বিচার করে ইউটিউব, ফেইসবুক স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিজ্ঞাপনগুলো দেবে।

না পাওয়ার ক্ষেত্রে চ্যানেল পেইজের নিজেদের বলার কিছুই নেই কনটেন্ট এর ধরন সেটা দেখার প্রবণতা ইত্যাদি বিচার করে ইউটিউব ফেসবুক স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিজ্ঞাপনগুলো দেয় প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের বিজ্ঞাপন ইউটিউব ইউটিউব আবার যেসব পণ্যের সম্ভাব্য বাজার বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট ভিডিওতে বিজ্ঞাপন সরবরাহ করে।

চ্যানেলের মোট কতজন সাবস্ক্রাইবার রয়েছেন সেটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। যদি তার চ্যানেলটির নিয়মিত না দেখেন। কারন চ্যানেলের আয় নির্ভর করে বিজ্ঞাপনের ওপর চ্যানেলের ভিউ যত বাড়বে চ্যানেলটি ইউটিউব থেকে বেশি বিজ্ঞাপন পেতে শুরু করবে। ইউটিউব এর নিয়ম অনুযায়ী ৫ মিনিটের ভিডিওতে পরিমাণ অর্থ ১০ মিনিট এর ভিডিওতে তার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ অর্থ পাওয়া যায়। ফেইসবুকের ৫ মিনিটের ভিডিও গুলো থেকে বেশি আয় হয় ১০ মিনিটের ভিডিও তে বিজ্ঞাপন পাওয়া যায় বেশি।

একই ভিডিও ফেসবুক এবং ইউটিউব আপলোড করাজাবে। ( The same video can be uploaded to Facebook and YouTube. )

 

একই ভিডিও একইসঙ্গে ফেসবুক এবং ইউটিউব এ শেয়ার করা যায়। সাধারণত সব ইউটিউবার এটা করে থাকেন। সেখানে মানুষ কতটা দেখছে কতক্ষণ ধরে দেখতে একই রকম বিজ্ঞাপন বা কমেন্ট ফেসবুকে নিজের বিজ্ঞাপণ বুষ্টিং করা যায় বিভিন্ন গ্রুপে শেয়ার এর মাধ্যমে লাইক বা জনপ্রিয়তা বাড়ানো যায় এভাবে যত বেশি মানুষ ভিডিও দেখবে ততই ইনকাম বারবে
ভিউ বেশি পেতে হলে ফলোয়ারের সংখ্যা অবশ্যই কমপক্ষে 10 হাজার থাকতে হবে ফলোয়ার বাড়াতে হলে কোন কোন কনটেন্ট বেশি পছন্দ করছে মানুষ সেগুলো লক্ষ্য করে সে ধরনের কনটেন্ট বেশি দিতে হবে।

টিপস  ( Tips )

ভিডিও তৈরি করার সময় মজাদার মুহূর্তও বা মানুষকে আকর্ষণ করবে এমন কন্টাক্ট গুলো শুরুতেই রাখুন। ভিডিওগুলো হতে হবে পরিষ্কার, সাউন্ড ভালোভাবে শোনা যেতে হবে এবং এডিটিং ভালো হতে হবে।
আপনার সব ধরনের সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি শেয়ার করুন যাতে সহজে খুঁজে পাওয়া যায়। সেটি নিশ্চিত করার চেষ্টা করতে হবে যত বেশি সম্ভব নিজস্ব কন্ঠের ভিডিও পাবলিশ করার চেষ্টা করুন। এডাল বা মানসম্পন্ন নয় এমন ভিডিও শেয়ার করা বন্ধ করুন।

টিপস-২  ( Tips-2 )

ফেসবুক ইউটিউব থেকে আয়  করা অর্থ বের করাকে বলে পেআউট। ফেসবুকের মনিটাইজেশন চালু করার সময় ব্যাংক হিসাবের তথ্য দিতে হয় নির্দিষ্ট সংখ্যক ভিউ হওয়ার পর প্রতি মাসে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই একাউন্টে অর্থ জমা হয়। এটা পেপালের মাধ্যমে তোলা যায় তবে এক্ষেত্রে অন্তত 100 ডলার হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
ডলারের বেশি হলে সেটা গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে নিজের ব্যাংক হিসেবে হস্তান্তর করা যায় ইউটিউবার ফেসবুক কনটেন্ট তৈরি করা হোক না কেন সেগুলো অবশ্যই কপিরাইট নিয়ম মানতে হবে কারণ কপিরাইট নিয়ে প্রশ্ন উঠছে পৌর চ্যানেলটির নষ্ট হয়ে যেতে পারে। বাংলাদেশের এখন ইউটিউব ফেসবুকের কনটেন্ট তৈরির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা বা নিয়মকানুন নেই কিন্তু একটা আইন করা হয়েছে সেটা ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন।

ইউটিউব থেকে আয়

Go to Home page

  • Leave a Comment